Khadya Sathi Scheme 2022: Registration and Apply | খাদ্য সাথী প্রকল্প 2022 আবেদন পদ্ধতি

Khadya Sathi Scheme 2022: Khadya Sathi Scheme Apply Online Form 2022-23 – পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য সাথী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি (খাদ্য সাথী প্রকল্প 2022: অভুক্ত না থাকার প্রতিশ্রুতি), West Bengal Khadya Sathi Scheme Registration 2022 | Khadya Sathi Scheme Documents and Eligibility.

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যেমন নিঃশ্বাস, তার পরেই আসে জল ও খাবারের স্থান। বর্তমানে এমন অনেক পরিবার আছে যেখানে তিন বেলা পেট ভরে খাবার টুকু পর্যন্ত জোটে না। এমন অবস্থায় অন্যান্য বিষয়ের কথা ভাবা তো দূরের কথা। কথায় আছে “খালি পেটে পূর্ণিমার চাঁদ কেও ঝলসানো রুটি মনে হয়।”

তার সাথে সাথে এই একইভাবে স্কুলের মিড ডে মিল এর গুরুত্ব ভীষণভাবে জরুরি। কেননা ছোট ছোট কচি কাঁচারা পেট ভরে খেতে পেলে তবেই না মন দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবে। এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের খাদ্য সুরক্ষা দিতে খাদ্যসাথী প্রকল্পের সূচনা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

অন্ততপক্ষে স্কুলমুখী হওয়ার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের এই মিলের ব্যবস্থা ভীষণভাবে কার্যকরী হয়েছে। ডিজিটাল রেশন কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য সাথী প্রকল্পের (Khadya Sathi Scheme) সুবিধা পাবেন প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষেরা, শিক্ষা, তার সাথে অন্যান্য স্বপ্ন দেখা তো রয়েছেই।

WB Khadya Sathi Scheme Registration and Apply
WB Khadya Sathi Scheme Registration and Apply

খাদ্যসাথী প্রকল্পের (Khadya Sathi Prakalpa) মধ্যে দিয়ে নির্দিষ্ট করা হয়েছে কোন পরিবার প্রত্যেক মাসে কত করে চাল এবং গম পাবেন ভর্তুকির মাধ্যমে। নামমাত্র দাম রেখে বা প্রায় বিনামূল্যে বলতে পারেন, সাধারণ মানুষ পাবেন দু টাকা কিলো চাল, আর গম, তার পাশাপাশি আরো অন্যান্য সামগ্রী ও পাওয়া যাবে। যা কিনা বাজারের চেয়েও অনেক কম দামে। যেখানে চাল গমের মূল্য ৩০ টাকারও বেশি। সেখানে মাত্র দু টাকায় চাল গম পাওয়া যাবে। সেটা বিনামূল্যে পাওয়ারই সমান।

এছাড়া রেশন কার্ডের ভাগ অনুসারে অন্তর্দয় অন্ন যোজনার শ্রেণীভুক্ত কার্ড থাকলে ১৫ কেজি করে চাল, কুড়ি কেজি করে আটা পাবেন। চাল এবং গম দুটো মিলিয়ে দাম পড়বে প্রতি কেজিতে ২ টাকা করে।

এর সাথে সাথে পি এইচ এইচ শ্রেণীভূক্ত কার্ড যদি কোনো ব্যক্তির কাছে থেকে, থাকে তাহলে ২ কেজি করে চাল তার সাথে তিন কেজি করে গম পেতে পারেন। শুধুমাত্র রাজ্য সুরক্ষা যোজনার অন্তর্ভুক্ত কার্ড যাদের আছে তারা প্রতি কিলো চাল পাবেন ১৩ টাকা করে দাম দিয়ে এবং প্রত্যেক কেজি গমের দাম হবে ৯ টাকা করে। তারা চাল এবং গম দুই ধরণের খাদ্যশস্য প্রত্যেক মাসে এক কিলো করে পাবেন।

সুচিপত্র

কোন ধরনের রেশন কার্ডের মধ্যে কত কেজি করে খাদ্যশস্য পাওয়া যাবে?

  • অন্তর্দয় অন্ন যোজনার শ্রেণীভুক্ত কার্ড: প্রতি মাসে ১৫ কেজি করে।
  • পি এইচ এইচ শ্রেণীভূক্ত কার্ড, এস পি এইচ এইচ শ্রেণীভূক্ত কার্ড: প্রতি মাসে দুই কেজি করে।
  • রাজ্য সুরক্ষা যোজনা ১ ভুক্ত কার্ড: দুই কেজি করে।
  • রাজ্য সুরক্ষা যোজনা ২ ভুক্ত কার্ড: ১ কেজি করে।

খাদ্যসাথী প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য:

  • প্রকল্পের নাম: খাদ্য সাথী (Khadya Sathi Scheme)
  • সূচনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • এই প্রকল্পের সূচনা ২০১৫ সালের ১৭ জনুয়ারি।
  • এই প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা পাবেন বাংলার সমস্ত দরিদ্র এবং আর্থিক দিক থেকে অনগ্রসর শ্রেণির পরিবারগুলি।
  • যে সুযোগ পাওয়া যাবে সেটি হলো, খুবই কম মূল্যে খাদ্যশস্য এবং এক কথায় বলতে গেলে বিনামূল্যে খাদ্য শস্য।
  • খাদ্যসাথী প্রকল্পের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: www.wbpds.gov.in

খাদ্য সাথী প্রকল্প (Khadya Sathi Scheme):

খাদ্যসাথী প্রকল্পের মধ্যে গ্রাহকদের দেওয়া হবে একটি বিশেষ ধরনের কার্ড, খাদ্য সাথী কার্ড থাকলে তার মাধ্যমে রেশন দোকান থেকে খুবই কম দামে খাদ্যশস্য কেনার সুযোগ সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু তার জন্য সবচেয়ে যেটা আগে জরুরী সেটা হল খাদ্য সাথী কার্ড (Khadya Sathi Card) এর জন্য আবেদন করতে হবে আপনাকে।

খাদ্যসাথী নাম্বার (Khadya Sathi Number):

প্রত্যেকটা কার্ড অথবা কাগজপত্রের একটা নির্দিষ্ট নাম্বার থাকে, যেমন ধরুন আধার কার্ডের যে নাম্বারটি আছে সেটাই কিন্তু বিশেষ ভাবে কাজে লাগে। তেমনি একটা কথা পরিস্কার যে খাদ্য সাথী কার্ড থাকলেই ভর্তুকিতে পাওয়ার চাল গম কেনা যাবে কম মূল্যে, তার জন্য আবেদন করতে হবে খাদ্য সাথী কার্ড এর।

আর তার জন্য বাংলায় যে সমস্ত মানুষের কাছে রেশন কার্ড রয়েছে সেগুলি খাদ্য সাথী কার্ড বলে বিবেচিত করা হচ্ছে। যদিও পুরনো রেশন কার্ডের পরিবর্তে নতুন ডিজিটাল রেশন কার্ড পাওয়া যাচ্ছে।

খাদ্য সাথী কার্ড এর জন্য আবেদন:

বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষের কাছে খাদ্য সাথী কার্ড হয়ে গেছে বলে জানা গেছে, তবে ইতিমধ্যে যাদের খাদ্য সাথী কার্ড নেই, তারা অবিলম্বে এই কাজ করতে পারেন। তবে যারা খাদ্য সাথী কার্ড এর জন্য আবেদন করতে চান তাদের প্রত্যেককে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

আবেদনকারীর কাছে নিজস্ব রেশন কার্ড থাকতে হবে, এটা একেবারে বাধ্যতামূলক। পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন, যারা গ্রাম অঞ্চলে বসবাস করেন এবং বন্যার মাধ্যমে বিপুল ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, একমাত্র তারাই আবেদন করতে পারবেন খাদ্য সাথী কার্ড এর জন্য।

যদি পরিবারের অন্য সদস্য সরকারি চাকরি করেন তাহলে কিন্তু এই খাদ্য সাথী কার্ড এর জন্য আবেদন করতে পারবেন না অথবা এই খাদ্য সাথী কার্ড এর আওতায় যে সুযোগ সুবিধাগুলি রয়েছে সেগুলি পাবেন না। তবে একটা কথা পরিস্কার যে, খাদ্য সাথী কার্ড করলে ভবিষ্যতে অনিশ্চিত দিনে সুরক্ষা মিলবে, এমনটাই আশা করা যায়।

খাদ্য সাথী কার্ড এর আবেদন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই কাগজপত্র:

  • আবেদনকারীর কাছে রেশন কার্ড অবশ্যই থাকতে হবে এবং সেটা জমা দিতে হবে।
  • আবেদনকারীর আধার কার্ডের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
  • আবেদনকারী যে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা তার একটি প্রমাণ পত্র অবশ্যই প্রয়োজন পড়বে, যেমন ধরুন ঠিকানার প্রমাণপত্র অথবা ইলেকট্রিক বিল।
  • আবেদনকারীর পরিবারের প্রতি মাসে উপার্জন কত, তার প্রমান পত্র প্রয়োজন পড়বে।
  • যদিও আবেদনকারী ইতিমধ্যে বিপিএল অথবা দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস এর প্রমাণ পত্র স্বরূপ রেশন কার্ড থাকে তাহলে সেটি জমা দিতে হবে।
  • এর সাথে প্রয়োজন পড়বে আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ফটো এবং
  • আবেদনকারীর মোবাইল নাম্বার থাকাটা অবশ্যই জরুরি।

খাদ্যসাথী প্রকল্পের জন্য যোগাযোগ নাম্বার:

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য এবং সরবরাহ দপ্তরের নম্বরে ফোন করেও এই খাদ্য সাথী কার্ডের জন্য কথা বলতে পারেন, সেই নাম্বারটি হল 1800 345 5505 এই নম্বরটি একেবারে টোল ফ্রি এবং এখানে ফোন করতে গেলে কোন রকম টাকা আপনার লাগবে না, তবে ছুটির দিন ছাড়া অন্য যে কোন কাজের দিন অর্থাৎ সোম থেকে শনি সকাল আটটা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন করতে পারেন এই নাম্বারে।

খাদ্যসাথী আমার রেশন মোবাইল অ্যাপ:

খাদ্যসাথী আমার রেশন (Khadya Sathi Amar Ration App) হলো একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ, যা পশ্চিমবঙ্গ সরকার খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর দ্বারা চালু করা হয়েছে। যাতে রেশন কার্ড রেশন এর শস্য দ্রব্য এবং ধান সংগ্রহ সংক্রান্ত বহু পরিষেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি এবং কৃষকরা অনেক পরিষেবা পেতে পারেন।

খাদ্যসাথী আমার রেশন মোবাইল অ্যাপ সম্পর্কিত তথ্য:

  • অ্যাপের নাম: খাদ্যসাথী আমার রেশন
  • চালু করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর থেকে ২০২১ সালে চালু হয়েছে এবং
  • এই অ্যাপ এর উদ্দেশ্য হলো আবেদনের ফর্ম, স্ট্যাটাস চেক করা এবং FPS অনুসন্ধান করা।

খাদ্যসাথী আমার রেশন অ্যাপ এ কিভাবে রেজিস্টার করবেন?

খাদ্যসাথী আমার রেশন অ্যাপ রেজিস্টার করার জন্য নিচে দেওয়া এই কয়েকটি পদক্ষেপ অবলম্বন করতে পারেন:-

Khadya Sathi Amar Ration App food.wb.gov.in
Khadya Sathi Amar Ration App food.wb.gov.in

১) আপনার মোবাইল ফোনের মধ্যে দিয়ে প্লে-স্টোর থেকে খাদ্যসাথী আমার রেশন অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।

২) ডাউনলোড করা হয়ে গেলে, সেই অ্যাপটি খুলুন এবং মেনু (Menu) অপশন এ ক্লিক করুন।

৩) এরপরে রেশন বেনিফিশিয়ারি (Ration Beneficiary) অপশনটি দেখতে পাবেন, সেখানে ক্লিক করুন।

৪) এরপর আপনার রেশন কার্ডের সাথে লিংক করা রেজিস্টার মোবাইল নাম্বারটি দিন।

৫) এরপর সেন্ড ওটিপি (Send OTP) অপশন এ ক্লিক করুন। এবং আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নাম্বারে একটা ওটিপি আসবে সেটি এন্টার করুন।

৬) এরপর সাবমিট (Submit) বাটনে ক্লিক করুন।

৭) খাদ্যসাথী আমার রেশন অ্যাপ এ রেজিস্টার হয়ে যাবে।

যে সমস্ত পরিষেবা গুলির জন্য “খাদ্য সাথী আমার রেশন” অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন:

  • আপনার রেশন কার্ডের আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করার জন্য।
  • আপনি যে পরিমাণ রেশন এর দ্রব্য পাওয়ার অধিকারী সেটা চেক করার জন্য।
  • রেশন কার্ড সম্পর্কিত আরো অন্যান্য বিভিন্ন ফর্ম এর জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে, যেমন ধরুন রেশন কার্ড, নতুন রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করা এবং
  • এই রেশন কার্ড সংশোধন ইত্যাদি সম্পর্কে জানার জন্য এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।
  • কাছাকাছি কোন ধান সংগ্রহ কেন্দ্র অথবা শিবির অনুসন্ধান করার জন্য।
  • কাছাকাছি ফেয়ার প্রাইস শপ (Fair Price Shop) বা রেশন দোকান খুঁজে বের করার জন্য।

খাদ্যসাথী আমার রেশন অ্যাপের মাধ্যমে যে কোনো রেশন কার্ড ফর্ম এর জন্য আবেদন করার পদ্ধতি:

১) প্রথমে খাদ্যসাথী আমার রেশন অ্যাপ টি খুলুন।

২) এবং “রেশন কার্ড রিলেটেড সার্ভিসেস” (Ration Card Related Services) লেখাটি দেখতে পাবেন, সেই বাটনে ক্লিক করুন।

৩) এরপর অনেকগুলো অপশন পাবেন আপনি, যে ফরমের জন্য আবেদন করতে চাইছেন তাতে ক্লিক করুন।

৪) এরপর আপনার রেজিস্টার্ড করা মোবাইল নাম্বারটি দিন এবং গেট ওটিপি (Get OTP) অপশন এ ক্লিক করুন। আপনার মোবাইল নাম্বারে যে ওটিপি আসবে সেটি এন্টার করুন।

৫) তারপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। যে ফর্ম আসবে সেটা পূরণ করুন। সেই ফরমটি পূরণ করা হয়ে গেলে জমা দিয়ে দিন।

আপনার কাছাকাছি রেশন দোকান খুঁজে পাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে:

খাদ্যসাথী আমার রেশন অ্যাপের মাধ্যমে আপনার কাছাকাছি রেশন দোকান খুঁজে পাবেন যেভাবে:-

১) সবার প্রথমে খাদ্যসাথী আমার রেশন (Khadya Sathi Amar Ration) অ্যাপটি খুলুন।

২) স্কিনে দেওয়া ফাইন্ড নিয়ারেস্ট FPS রেশন শপ [Find Nearest FPS (Ration Shop)] এর উপর ক্লিক করুন।

৩) তার সাথে আপনার ব্লক, জেলা এবং ওয়ার্ড সিলেক্ট করুন, তারপরে সার্চ (Search) বাটনে ক্লিক করুন।

৪) দেখবেন আপনার কাছাকাছি রেশন দোকানের রেশন ডিলারের নাম, ঠিকানা এবং সেই দোকানের নাম্বার আপনার স্ক্রিনে চলে আসবে। সেখান থেকে কালেক্ট করে খুব সহজেই রেশন দোকান খুঁজে বের করতে পারবেন।

পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৯০% মানুষকে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষকে অর্ধেক বাজার মূল্যের চাল, গম দেওয়া হয়েছে। যার জন্য কোনরকম দরিদ্র মানুষ যেন অনাহারে না দিন কাটায়।

এছাড়া যাদের রেশন কার্ড সংক্রান্ত কোন সমস্যা আছে তারা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এর ওয়েবসাইটে লগইন করতে পারেন www.wbpds.gov.in এবং নিচে দেওয়া এই ফর্মগুলি ডাউনলোড করতে পারেন, সেগুলো পূরণ করুন এবং পৌরসভা অফিসে জমা দিতে পারেন:-

  • একটি নাম অথবা ঠিকানা সংশোধন করার জন্য: V-R/ ফর্ম V-U
  • রেশন কার্ডের জন্য একটি নাম বিজ্ঞপ্তি পেতে: ফর্ম III-R/ ফর্ম III-U
  • পরিবারের কোন সদস্যের নাম বাদ দেওয়ার জন্য: ফর্ম IV-R/ ফর্ম IV-U
  • একটি নতুন রেশন দোকানের পরিবর্তনের জন্য: ফর্ম VI-R/ ফর্ম VI-U

খাদ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আবেদন কারীর যে সমস্ত যোগ্যতা গুলি থাকতে হবে:

  • এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • আবেদনকারীকে এই প্রকল্পের অবশ্যই একটি রেশন কার্ড থাকতে হবে।
  • তার সাথে জেলার খরার কবলে পড়া মানুষ, তার সাথে চা বাগানের শ্রমিক এবং তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, জমি হারানো সিঙ্গুরের মানুষ, কলকাতার গৃহহীন মানুষ, এবং দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী মানুষ সহজেই এই খাদ্যসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

খাদ্যসাথী প্রকল্পের জন্য আরো যে সমস্ত ডকুমেন্টস আপনার প্রয়োজন পড়বে:

  • আবেদনকারীর নিজের আধার কার্ড থাকতে হবে, এটা অবশ্যই বাঞ্ছনীয়।
  • তার সাথে আবেদনকারীর রেশন কার্ড এ আবেদনকারীর নাম থাকাটা জরুরি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন শিশু এবং মা ও তাদের পরিবারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচ কিলো করে চাল আর গম, এক কিলো করে মসুর ডাল, তার সাথে এক কিলোগ্রাম ছোলা বিনামূল্যে দেওয়া হবে, বিশেষ কুপন চালু করা হয়েছে তার জন্য।

খাদ্য সাথী কার্ড এর জন্য খাদ্য সাথী প্রকল্পের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম অথবা আবেদনপত্র ডাউনলোড অপশন থেকে ডাউনলোড করে, প্রিন্ট আউট করতে পারেন। তার সাথে সাথে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন এবং সেই প্রিন্ট আউট করা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ভালোভাবে ফিলাপ করে পৌরসভায় জমা করতে পারেন, যে সমস্ত ডকুমেন্টস লাগবে সেগুলো উপরে দেওয়া আছে ওখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

আর খাদ্য সাথী প্রকল্পের সবচেয়ে প্রধান উদ্দেশ্য হলো কোনো মানুষ যেন অনাহারে না দিন কাটিয়ে থাকেন, পেট ভরা থাকলে তবেই না উন্নতি সাধন    করা যেতে পারে, তাই না! তার সাথে শিক্ষার প্রসার ঘটতে পারে এই ভরা পেটের মধ্যে দিয়ে। আর এই উদ্যোগ অনেকখানি সফল হয়েছে, তার  ফলাফল  তো আমাদের চোখের সামনেই রয়েছে, তাই না!

Home Click here
Official Website Click here

Leave a Comment