2022 চাল মিলের ব্যবসা শুরু করবেন কিভাবে | 2022 Rice Mill Business Idea in Bengali

Rice Mill Business Idea 2022 (চাল মিলের ব্যবসা 2022): How to Start Rice Mill Business in India? | Rice Mill Business Idea in Bengali | Rice Mill Business Plan in Bengali. জানুন চাল মিলের ব্যবসা শুরু করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি এবং লাভ ও ইনভেস্টমেন্ট

ভারত একটি কৃষি প্রধান দেশ, যেখানে কৃষিকাজ হল প্রধান জীবিকা এবং এই কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন রকমের উদ্যোগ, ব্যবসা, এর চাহিদা প্রচুর। আর এই জন্য প্রধান খাদ্যশস্য চালের মিল খুলে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই চাল থেকে ৬৫ শতাংশ জনসংখ্যা তাদের খাদ্য নির্বাহ করে থাকেন।

চাল মিলের ব্যবসা - Rice Mill Business Idea in Bengali
চাল মিলের ব্যবসা – Rice Mill Business Idea in Bengali

সব দিক থেকে বিচার করলে দেখা যায় যে দেশের ৩৭ শতাংশ জমিতে ধান উৎপাদন হয়। সম্পূর্ণ উৎপাদনের মধ্যে ৪০ শতাংশ ধান দখল করে রেখেছে। যা থেকে চাল উৎপন্ন হয় এবং তা থেকে ভাত তৈরি হয়। আর এই ভাত ভারতের প্রধান খাদ্য। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বেশি ধান অথবা চাল উৎপাদন করা হয়।

চালের মিল এর মার্কেটে চাহিদা:

আগেই বলেছি যে, চাল হল প্রধান খাদ্যশস্য। তাছাড়া ভারত এমন একটি দেশ যেখানে বাসমতি চাল উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়। সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, কুয়েত, এই সমস্ত জায়গাতে ভারত থেকে চাল আমদানি করে থাকে তারা। সবচেয়ে লাভজনক উদ্যোগের মধ্যে চালের মিল একটি। তাছাড়া ভারতের বিভিন্ন রকমের লাভ দায়ক ব্যবসা মধ্যে পড়ে এটি।

এই ব্যবসার জন্য লাইসেন্স এবং পারমিট:

যে কোন ব্যবসা শুরু করতে গেলে আপনার কাছে প্রথমত সেই ব্যবসার জন্য লাইসেন্স অথবা পারমিট থাকতে হবে তবেই তো আপনি সেই ব্যবসাটি নিশ্চিন্তে, আইন অনুযায়ী করতে পারবেন। তেমনি এই ব্যবসার ক্ষেত্রেও আপনার লাইসেন্স প্রয়োজন হবে।

১) সবার প্রথমে যেটা জরুরী সেটা হল এই ব্যবসার জন্য রেজিস্ট্রেশন। এর জন্য যখন আপনি এই ব্যবসা করার জন্য ভেবে থাকবেন সর্বপ্রথম এই ব্যবসার আরওসি বানিয়ে নিন।

২) আর ও সি হয়ে যাওয়ার পর উদ্যোগ আধার রেজিস্ট্রেশন অথবা এম এস এম ই রেজিস্ট্রেশন (মাইক্রো স্মল এন্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস) করাতে হবে আপনার। এছাড়াও আপনার ফ্যাক্টরির জন্য ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নিতে হবে।

৩) এই সমস্ত লাইসেন্স ছাড়াও প্রদূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড থেকে আপনার চালের মিল খোলার অনুমতি নিতে হবে।

৪) তার সাথে সাথে আপনার চাল মিল উদ্যোগ অধিনিয়ম ১৯৫৮ এর অনুসারে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।

৫) তার সাথে সাথে বেট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আপনার মিলে যে সমস্ত কর্মচারী কাজ করবে তাদের জন্য পি এফ এ এবং ই এস আই সি রেজিস্ট্রেশন করার যে নিয়ম আছে সেটাও কিন্তু পালন করতে হবে আপনাকে।

৬) যদি আপনার ব্যবসার জিনিসপত্র দেশের বাইরে রপ্তানি করতে চান তাহলে আই পি সি রেজিস্ট্রেশন করাটাও অনিবার্য।

এই ব্যবসার জন্য জায়গা নির্বাচন:

এই ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার জন্য জায়গা নির্বাচন ভেবে চিন্তা করতে হবে। আপনার এই চালের মিল যেখানে ধান উৎপাদন হয় সে জায়গার কাছাকাছি তৈরি করুন, এর জন্য আপনাকে এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে যেখানে কৃষক খুবই সহজ ভাবে পৌঁছাতে পারে এবং কোন অসুবিধা ছাড়াই নিজেদের ফসল আপনার মিল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

যদি এমনটা না হয় তাহলে এসমস্ত আনার জন্য আপনার অধিক পরিমাণে খরচা হতে পারে। এই বিষয়ের প্রতি আপনার বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। চালের মিল করার জন্য অধিক পরিমাণে জায়গার প্রয়োজন হবে তাছাড়া মেশিন সেট আপ করতেও জায়গা লাগে।

ধান ঝাড়াই মাড়াই করে সে গুলোকে স্টোর করে রাখতে ও কিছুটা জায়গা প্রয়োজন হয়। তার সাথে সাথে যে সমস্ত কর্মচারী কাজ করবে আপনার ফ্যাক্টরিতে, তারা যেন ভালোভাবে কাজ করার জায়গা পায় এবং হাওয়া, বাতাস, পর্যাপ্ত জল সরবরাহ যেন ভালোভাবে থাকে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

যদি আপনি এই ব্যবসাটি করার উদ্যোগ নিয়ে থাকেন সবচেয়ে প্রধান খরচা, জায়গা এবং মেশিনের ক্ষেত্রে পড়বে। যদি আপনার কাছে যথেষ্ট পরিমাণে পুঁজি থেকে থাকে তাহলে পুরোনো মেশিন কেনার বদলে নতুন মেশিন কেনা টাই ভালো। কারণ পুরনো মেশিনে অনেক রকম সমস্যা থাকতে পারে যেগুলি সারাই করতে গিয়ে বেশি পরিমাণে খরচ হয়ে যেতে পারে।

তাছাড়া এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে যেখানে বিদ্যুৎ সব সময় থাকে তাছাড়া বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেনারেটরের ব্যবস্থা করে রাখতে হবে আপনার। এর সাথে সাথে এই ব্যবসার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান জল এর প্রয়োজন হয় তার ব্যবস্থাও ভালোভাবে করে রাখা দরকার।

চালের মিল উদ্যোগের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিন:

চালের মিলে চালকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে প্যাকেট করে বাজারে বিক্রি করার জন্য তৈরি করা হয়। তার জন্য ধানকে বিভিন্ন রকমের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তবে গিয়ে পরিষ্কার চাল তৈরি হয়। তার জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন রকমের মেশিন। যে সমস্ত মেশিন তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন পড়বে সেগুলি হল:

১) রাইস ক্লিনিং মেশিন

২) রাইস ডে স্টোনার মেশিন

৩) পেরি হাসকর মেশিন

৪) রাইস কালার সোটের

৫) পেরি সেপারেটর মেশিন

৬) রাইস হাইটনার মেশিন

৭) রাইস পলিশিং মেশিন

৮) গ্রাইন্ডিং মেশিন

৯) গ্রীন ড্রায়ার

১০) মেজর এন্ড প্যাকিং মেশিন

১১) রাইস মিলিং ডিটেকশন মেশিন

মেশিন গুলোর দাম এবং কোথায় থেকে কিনবেন:

চাল মিল এ যে সমস্ত মেশিনের প্রয়োজন হয়, তার দাম ৪ লাখ টাকা থেকে শুরু হয়, ক্রমশ বাড়তে থাকে। যদি আপনি খুব ছোট স্তরে এবং লঘু উদ্যোগ করে থাকেন।

তাহলে আপনি ১০০০০০ টাকার থেকেও কম দামে মেশিন পেয়ে যাবেন মার্কেটে। আপনার ব্যবসার পরিমাণ হিসাব করে তবেই মেশিন কিনবেন। এমন ওয়েবসাইট দেওয়া রইল নিচে যেখানে মেশিনের দাম এবং বিক্রেতা সম্পর্কে বিশদে জানতে পারবেন।

Rice MillClick here

এই ব্যবসার জন্য ইনস্টলেশন:

যখন আপনি মেশিন কেনার জন্য সবকিছু ঠিকঠাক করে নিয়েছেন, তখন ইনস্টলেশনের প্রয়োজন হয়। আর এই কাজ করার জন্য আপনার একটি প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্যক্তির প্রয়োজন হবে, যে ব্যাক্তি এ সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন।

এই প্রক্রিয়ার জন্য আপনার বেশি চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই। কেননা বেশিরভাগ কোম্পানি আপনার সুবিধামতো ইনস্টলেশন এর সুবিধা নিজে থেকেই দিয়ে থাকে। মেশিনের সফল ইনস্টলেশন এর জন্য পর্যাপ্ত সময় লাগে। এই জন্য মালিককে একটু ধৈর্য রাখতে হবে।

এই ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কোথায় থেকে কিনবেন:

আপনার নেওয়া উদ্যোগ টি তখনই সফলতা পাবে যখন আপনি সারা বছর ধরে ব্যবসাটির উপরে সমানভাবে খেয়াল রেখে পরিশ্রম করবেন। এই ব্যবসার জন্য আপনি কাঁচামাল নিচে দেওয়া এই সমস্ত জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।

১) ধানের ক্ষেত থেকে: আপনার যদি নিজের কোন ধানের ক্ষেত থাকে তাহলে এই ব্যবসার জন্য বেশ উপযুক্ত অর্থাৎ আপনি ভালোমতো লাভ রাখতে পারবেন।

তার সাথে সাথে এই ব্যবসার কাঁচামালের নিয়ে কোন চিন্তা ভাবনা থাকবেনা। আপনাকে এটা সুনিশ্চিত করতে হবে যে,  সারা বছরের মতো কাঁচামাল আপনার কাছে উপলব্ধ আছে কিনা। যদি না থাকে তাহলে অন্য জায়গাতেও যোগাযোগ করতে পারেন।

২) কৃষক অথবা বাজার থেকে ধান কেনা: যদি আপনার নিজস্ব কোন ধানের ক্ষেত না থাকে তাহলে বাজার থেকে কিনেও এই ব্যবসাটি করতে পারেন। কিন্তু যখন আপনি বাজার থেকে ধান কিনবেন তখন দামের উপরে একটু খেয়াল রাখবেন। কেননা ধানের সিজন অথবা সময় না থাকলে দাম কিছুটা বেড়ে যায়। সেই কারণে সময় বুঝে ধান কিনবেন এবং দাম দেখে কিনবেন যাতে আপনার লাভটা একটু বেশি পরিমাণে থাকে।

চাল তৈরি করার প্রক্রিয়া:

ধানের ক্ষেত থেকে ধান আসার পর বিভিন্ন রকমের প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে চাল উৎপাদিত হয়। তারপরে সেই চাল মার্কেটে বিক্রি করার জন্য উপযুক্ত হয়ে ওঠে। নিচের এই সমস্ত পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে ধান থেকে চাল তৈরি করা হয়:-

১) প্রথমে পরিষ্কার করা: এই পদ্ধতিতে ধান এর মধ্যে কোন নোংরা, আবর্জনা, মাটি ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ফ্রেশ করে ফেলা।

২) ডি স্টোনিং: এই প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে যখন ধান গুলি যায় তখন তাদের মধ্যে থাকা ছোট ছোট পাথরগুলি কেও আলাদা করে দেওয়া হয়।

৩) পার্বলিং: ধানের খোসার মধ্যেই থাকে চাল কে জিলেটিন নাইজেরিয়ান এর মাধ্যমে পুষ্টিগত দিক থেকে এবং গুণগত মান ঠিক রাখার জন্য সাহায্য করা হয়।

৪) হাস্কিং: এই পদ্ধতিতে চাল থেকে ধানের খোসা গুলি কে আলাদা করা হয়।

৫) হাস্ক এসপিরেসন: এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে ধান থেকে ভুসি গুলিকে আলাদা করা হয়।

৬) ধানের পৃথকীকরণ: এই পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে ধান থেকে চাল কে আলাদা করা হয়।

৭) হাইটনিং: এই পদ্ধতিতে চালের উপরে বাদামি স্তর এবং বিভিন্ন রকমের কীটাণু গুলিকে আলাদা করা হয়।

৮) পলিশিং: চালের মধ্যে বিভিন্ন রকমের নোংরা আবর্জনা বালি যখন পুরোপুরি চাল থেকে আলাদা করা হয়ে যায়, তারপরে কর্নেলের বাইরের জায়গাতে চাল গুলিকে পালিশ করে দেওয়া হয়।

৯) লেন্স গ্রেটিং: এই পদ্ধতিতে চালের ছোট-বড় কনা আলাদা করা হয় এবং একটি ভালো কোয়ালিটির চাল আলাদা করে জড়ো করা হয়।

১০) প্যাকেজিং: সমস্ত প্রক্রিয়া হয়ে যাওয়ার পর চাল গুলো মার্কেটে বিক্রি করার জন্য একেবারে তৈরি। তখন সবার শেষে আলাদা আলাদা মাত্রা তে প্যাকেট করে রাখা হয়। চালের গ্রাহকের দোকান পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার জন্য। এমনভাবে প্যাকেট করার ফলে আপনি বাজারে বিভিন্ন রকমের দোকানে পৌঁছে দিতে পারবেন অনায়াসেই।

এই ব্যবসাতে ইনভেস্টমেন্টের পরিমাণ:

যদি আপনি ছোট স্তরে এ ব্যবসাটি শুরু করেন তো কম করে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। আর যদি আপনার কাছে এত টাকা না থাকে এই ব্যবসার জন্য ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সরকার থেকে লোন নিতে পারেন।

এই ব্যবসার জন্য তিন লাখ টাকা খরচা হবে আপনার জায়গায় এবং মেশিন কিনতে। আর ৫০০০০ মেইনটেনেন্স খরচ চলে আসবে। আপনি যে টাকাটা খরচ করে ইনভেস্ট করার মধ্যে ব্যবসাটি সেট আপ করছেন, তা থেকে আপনি ৩৭০ কুইন্টাল চাল তৈরি করতে পারবেন। কাঁচামাল এবং অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত  খরচ হয়ে যাবে।

যেখানে আপনি প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার পর্যন্ত বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। অর্থাৎ এক মাসে আপনি প্রফিট অথবা লাভ করবেন ১০০০০০ টাকার কাছাকাছি। যদি আপনি বড় স্তরে ব্যবসাটি শুরু করেন সেক্ষেত্রে আপনার ইনভেসমেন্ট এবং লাভের পরিমাণ দুটোই বেড়ে যাবে।

এই ব্যবসা করার জন্য সরকার থেকে লোন:

এই ব্যবসার জন্য আপনি ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন সরকার থেকে। এর জন্য আপনাকে প্রধানমন্ত্রী এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম এর অন্তর্গত তে আবেদন করতে হবে। যদি আপনি এতে আবেদন করতে চান তাহলে আবেদন করার ফর্ম প্রধানমন্ত্রী এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন।

এই ব্যবসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেখাশুনা:

অধিক পরিমাণে ইনভেস্টমেন্ট অথবা পুঁজি লাগানো।

নিয়মিত রূপে মেইনটেনেন্স করতে হবে।

এই ব্যবসাটি কে ভালোভাবে চালানোর জন্য বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয়তা।

এমনভাবে আপনি ছোট স্তরে হোক অথবা বড় স্তরে আপনার পুঁজি অনুযায়ী ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। চালের মিল তৈরি করে ব্যবসা করা একটি ভীষন লাভ দায়ক ব্যবসা। এটা কে আপনি ধান উৎপাদন করার জায়গার কাছাকাছি তৈরি করে বেশি পরিমাণে লাভ নিতে পারেন।

আশা করা যায় যে আজকের এই লেখা টি থেকে এই ব্যবসা সম্পর্কে ভালো মত তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছেন। চালের মিল করে ব্যবসা করার ইচ্ছা থাকলে ছোট স্তর থেকে শুরু করতে পারেন।

Leave a Comment

You cannot copy content of this page